E-Wallet Payment Gateway বাংলাদেশ সরকারের পেমেন্ট গেটওয়ে লাইসেন্স প্রাপ্ত একটি সম্পূর্ণ আইনসম্মত প্রতিষ্ঠান। আমরা ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি এবং গত তিন বছর ধরে পেমেন্ট গেটওয়ে সার্ভিস প্রদান করে আসছি।
আপনার বিশ্বাসই আমাদের সবচেয়ে বড় পুঁজি — এই বিশ্বাসকে আমরা চারটি অঙ্গীকারে রূপ দিয়েছি
প্রতিটি লেনদেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী যাচাইকৃত ও সুরক্ষিত।
৯৯%+ এজেন্ট আমাদের সার্ভিসে সন্তুষ্ট — আমরা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করি।
কোনো গোপন চার্জ নেই, কোনো ছলচাতুরী নেই — সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা।
সরকারি অনুমোদন ও লাইসেন্সের আওতায় পরিচালিত — সম্পূর্ণ বৈধ।
সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সাথে পরিচালিত — সকল লাইসেন্স ও অনুমোদন প্রকাশ্য
২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকারের নিকট হতে সম্পূর্ণ অনুমোদন প্রাপ্ত। অর্থ মন্ত্রণালয় ও ICT বিভাগের নীতিমালার আলোকে পরিচালিত।
MFS (Mobile Financial Service) এবং পেমেন্ট গেটওয়ে লাইসেন্সের আওতায় নিবন্ধিত। সকল লেনদেন নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয়।
গত তিন বছর ধরে স্থায়ীভাবে পেমেন্ট গেটওয়ে সার্ভিস প্রদান করে আসছি। হাজারো এজেন্ট ও লাখো লেনদেন সফলভাবে সম্পন্ন করেছি।
SSL এনক্রিপশন, KYC ভেরিফিকেশন ও এডমিন রিভিউ সিস্টেমের মাধ্যমে প্রতিটি লেনদেন সুরক্ষিত। আপনার টাকা ও তথ্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তায় সংরক্ষিত।
E-Wallet Payment Gateway বাংলাদেশের সকল প্রচলিত আইন, বিধি ও নীতিমালার অনুসরণে পরিচালিত। আমাদের কার্যক্রমে কোনো ধরনের অবৈধতা নেই। প্রতিটি লেনদেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালার আওতায় সম্পন্ন হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের MFS নীতিমালা ২০১৮ অনুসরণ
পেমেন্ট সিস্টেম আইন ২০১২ ও বিধিমালা ২০১৩ মেনে চলা
ICT আইন ২০০৬ ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ অনুযায়ী কার্যক্রম
AML (Anti-Money Laundering) ও CFT (Counter Financing of Terrorism) নীতিমালা অনুসরণ
স্বচ্ছতা ও ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে আমরা স্পষ্ট রিফান্ড নীতিমালা অনুসরণ করি
প্রতিটি লেনদেন স্বয়ংক্রিয় ও ম্যানুয়াল রিভিউ সিস্টেমের মাধ্যমে যাচাই করা হয়। কোনো ত্রুটি ধরা পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে সংশোধন করা হয়।
ভুল লেনদেন বা প্রযুক্তিগত ত্রুটির ক্ষেত্রে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পূর্ণ ফেরত প্রদান করা হয়। এজেন্টদের জন্য আলাদা ফেরত পলিসি রয়েছে।
যেকোনো লেনদেন নিয়ে বিরোধ হলে আমাদের ২৪/৭ সাপোর্ট টিম ও এডমিন প্যানেলের মাধ্যমে সমাধান করা হয়। ন্যায়সঙ্গত সমাধানই আমাদের অঙ্গীকার।
১. ভুল নাম্বারে পেমেন্ট গেলে অথবা ডুপ্লিকেট লেনদেন হলে ফেরতযোগ্য।
২. সার্ভার ডাউন বা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে ব্যর্থ লেনদেনের সম্পূর্ণ টাকা ফেরত দেওয়া হয়।
৩. এজেন্টদের ক্ষেত্রে কমিশন বা ব্যালেন্স সম্পর্কিত বিরোধ ১ কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তি করা হয়।
আমরা আপনার তথ্য ও অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করি
সকল ডেটা 256-bit SSL এনক্রিপশনের মাধ্যমে সংরক্ষিত।
প্রতিটি এজেন্ট ও ব্যবহারকারীর পরিচয় বহুধাপ যাচাইকৃত।
প্রতিটি লেনদেন ম্যানুয়াল এডমিন রিভিউ সাপেক্ষে অনুমোদিত হয়।
AI-ভিত্তিক ফ্রড ডিটেকশন সিস্টেম সন্দেহজনক কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করে।
আমাদের সিকিউরিটি টিম প্রতিনিয়ত সিস্টেম মনিটর করছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক ও তৃতীয় পক্ষের অডিটার দ্বারা নিয়মিত অডিট করা হয়।
হাজারো এজেন্টের আস্থা ও কোটি টাকার লেনদেন — এটাই আমাদের পরিচয়
দেশের শীর্ষস্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে আমাদের রয়েছে সরাসরি অফিসিয়াল চুক্তি


উপরোক্ত সকল প্রতিষ্ঠানের সাথে আমাদের রয়েছে সরাসরি অফিসিয়াল চুক্তি ও অনুমোদন। ফলে আপনার প্রতিটি লেনদেন সম্পূর্ণ নিরাপদ ও বিশ্বস্ত পরিবেশে সম্পন্ন হয়। আমরা বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করি।
E-Wallet Payment Gateway দীর্ঘ বছরের অভিজ্ঞতা, সরকারি অনুমোদন এবং হাজারো সন্তুষ্ট এজেন্টের আস্থায় গড়ে উঠেছে। আমরা শুধু পেমেন্ট গেটওয়ে নই — আমরা আপনার আর্থিক নিরাপত্তার সহযাত্রী। প্রতিটি টাকা, প্রতিটি লেনদেন এবং প্রতিটি গ্রাহকের তথ্য আমাদের কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ।